দক্ষিণপূর্ব ডেস্ক
কর্মকর্তাদের ‘বিশেষ যোগ্যতা মূল্যায়ন’ পরীক্ষা নিয়ে সমালোচনার মুখে নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরেছে ইসলামী ব্যাংক।
রোববার ব্যাংকের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘‘বিশেষ যোগ্যতা মূল্যায়ন পরীক্ষা গ্রহণ এবং চাকরিতে কাউকে রাখা বা না রাখার বিষয় ব্যাংকের নিজস্ব এখতিয়ারভুক্ত। পরীক্ষাগ্রহণে আদালত অবমাননা বা আইনের কোনো ব্যত্যয় ঘটেনি।”
ব্যাংকের অনেক কর্মী অভিযোগ তুলেছেন ‘বিশেষ যোগ্যতা মূল্যায়ন’ পরীক্ষার নামে তাদের কয়েক হাজার সহকর্মীকে চাকরি থেকে বাদ দেওয়ার পরিকল্পনা চলছে।
এমন অভিযোগ তুলে শুক্রবার চট্টগ্রামে মানববন্ধনও করেন ব্যাংকের কর্মীরা। এছাড়া এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কয়েকজন চাকরিজীবী রিট আবেদনও করেন। পরে হাই কোর্ট বিষয়টি নিস্পত্তি করতে বাংলাদেশ ব্যাংককে নির্দেশনা দেন।
এমন পরিস্থিতিতে ব্যাংকের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “‘ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি কর্মকর্তাদের যোগ্যতা যাচাইয়ের জন্য বিশেষ মূল্যায়ন পরীক্ষা গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়ার পর কয়েকজন কর্মকর্তা এ পরীক্ষার বিরুদ্ধে হাই কোর্টে রিট আবেদন করেন। হাই কোর্ট বিভাগ বাংলাদেশ ব্যাংককে বিষয়টি নিষ্পত্তি করার জন্য নির্দেশনা দেয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ (ডিভিশন-২) থেকে বিষয়টি নিষ্পত্তি করে রিটকারী ও ইসলামী ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে।
“এতে বলা হয়, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ বেসরকারি মালিকানাধীন লাভজনক প্রতিষ্ঠান বিধায় এর কর্মকর্তা/কর্মচারীদের চাকরি দেশের প্রচলিত আইন, বিধি-বিধান ও নিয়োগের শর্ত দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। যেহেতু চাকরি এবং কর্মকর্তা/কর্মচারীদের কর্মদক্ষতার সঙ্গে ব্যাংকের লাভ-লোকসান বহুলাংশে জড়িত, সেহেতু ব্যাংক স্বাধীনভাবে দেশের আইন ও বিধি-বিধান মেনে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারে।”
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (আইবিএ) মাধ্যমে ২৭ সেপ্টেম্বর বিশেষ যোগ্যতা মূল্যায়ন পরীক্ষার আয়োজন করে। এক্ষেত্রে আদালত অবমাননা বা আইনের কোনো ব্যত্যয় ঘটেনি।”