নিজস্ব প্রতিবেদক
রাউজানে প্রকাশ্য দিবালোকে খুন হওয়া যুবদল কর্মী আলমগীর ওরফে আলম হত্যাকাণ্ডের মামলায় চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক রাশেল খাঁনকে (৪৩) গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ ঘটনায় তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন সাবেক সাংসদ গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী।
বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) দুপুরে এক বিবৃতির মাধ্যমে এই প্রতিবাদ জানানো হয়।
বিবৃতিতে গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী বলেন, রাউজান উপজেলা ছাত্রদল নেতা ও রাউজান কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মো. রাশেল খাঁনকে ষড়যন্ত্র মূলক মিথ্যা মামলায় প্রেফতার করায় তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।রাজনৈতিকভাবে বিএনপি একটি বিশাল দল। এখানে নানা পেশার মানুষ একত্রিভূত। তাই প্রত্যেকের ব্যক্তিগত পেশা সর্ম্পকে জানা সম্ভবপর নয়। অধিকন্ত প্রতিটি হত্যাকাণ্ডই বেদনাদায়ক ও নিন্দনীয়। আমি আলমগীর আলম হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানাই, অবিলম্বে প্রকৃত খুনিদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে খুনের রহস্য উদঘাটনের জোর দাবী জানাচ্ছি। মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার রাশেল খাঁনের মুক্তি দাবী করছি এবং ষড়যন্ত্র মুলকভাবে নিরাপরাধ ব্যক্তিদের মামলা থেকে বাদ দেওয়ার জন্য প্রশাসনের প্রতি দাবী জানাচ্ছি।
এদিকে রাসেল খানকে গ্রেপ্তারে প্রতিবাদে রাউজান উপজেলা যুবদল ও ছাত্রদলের পক্ষ থেকে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করা হয়েছে। শতশত নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে রাউজান ফকিরহাটসহ বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করেন। একই সাথে চট্টগ্রাম-রাঙামাটি মহাসড়ক এক ঘণ্টার জন্যে অবরোধ করেন। এসময় সড়কে দাঁড়িয়ে থাকা গাড়ি ও যাত্রীরা দুর্ভোগে পড়েন।
গত ২৫ অক্টোবর রাউজানে ১৮ দিনের মাথায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে খুন হন আলমগীর ওরফে আলম (৫০) নামের যুবদল কর্মী। এ দিন পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের চারাবটতল বাজারসংলগ্ন কায়কোবাদ জামে মসজিদের সামনে এ ঘটনা ঘটে। আলম মোটরসাইকেলে পাশের গ্রামের এক আত্মীয়ের বাড়ি থেকে দাওয়াত খেয়ে নিজ বাড়িতে ফিরছিলেন। তার স্ত্রী ও সন্তান মোটরসাইকেলের পেছনে একটি অটোরিকশায় ছিলেন। এ ঘটনায় আলমগীর আলমের আত্মীয় মুহাম্মদ রিয়াদও (২৫) গুলিবিদ্ধ হন।
জানা যায়, খুন হওয়া আলমগীর বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ও চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক গোলাম আকবর খোন্দকারের অনুসারী বলে জানা গেছে। গোলাম আকবর খোন্দকারের পক্ষ থেকে এই হত্যাকাণ্ডের নিন্দা জানিয়ে বিবৃতি দেন।
এমএইচএফ