ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সবসময় দেশের প্রান্তিক ও গ্রামের মানুষের উন্নয়নের কথা ভাবতেন। গ্রামের মানুষের ভাগ্যের উন্নয়ন নিশ্চিত করতে না পারলে দেশের প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব নয়। এ নীতিতেই তিনি বিশ্বাসী ছিলেন।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আয়োজিত বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিভাসু) হাটহাজারীস্থ রিসার্চ অ্যান্ড ফার্ম-বেইজড ক্যাম্পাস মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে ব্যারিস্টার মীর হেলাল বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা মানুষের জীবন ও জীববৈচিত্র্য টিকিয়ে রাখার জন্য অত্যন্ত জরুরি। এ লক্ষ্যেই বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষের চারা রোপণের কর্মসূচি গ্রহণ করেছেন। জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। তবে শুধু চারা রোপণ করলেই হবে না, সেগুলোর যথাযথ পরিচর্যাও নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, আজ তিনি প্রতিমন্ত্রী হিসেবে নয়, বরং তারেক রহমানের নেতৃত্বে পরিচালিত জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের একজন পরিচালক হিসেবে এই মানবিক কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন। সমাজের অসহায় ও সাধারণ মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন এবং জীবনমান উন্নয়নে ফাউন্ডেশন ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন (কৃষি), চট্টগ্রাম বিভাগের মনিটর এবং ওয়ান হেলথ ইনস্টিটিউট, সিভাসুর অধ্যাপক ড. মো. আহসানুল হক রোকনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিভাসুর উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ লুৎফুর রহমান এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল ফোরকান।
এছাড়া অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন অধ্যাপক এ কে এম সাইফুদ্দিন, ড. মিজানুর রহমান, ড. আহসানউল্লাহ, অধ্যাপক নূরুল হক, ড. তফাজ্জল হোসেন রনি, ড. মনিরুজ্জামান, ড. আতিউর রহমান এবং সিভাসু ছাত্রদলের সভাপতি জিয়াউর রহমানসহ অন্যান্য অতিথিরা।
সৈয়দ মুনিয়া জিলশাদ ও মো. শাহরিয়ার হোসেন তালুকদারের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা মোহাম্মদ আবু তোয়াব। পরে অতিথিরা বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেন এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মাঝে গাছের চারা বিতরণ করেন।
দক্ষিণপূর্ব