নিজস্ব প্রতিবেদক
চট্টগ্রামের আকবরশাহ এলাকায় পুলিশের অভিযানে ৩১ মামলার আসামী নগরের অন্যতম শীর্ষ সন্ত্রাসী নুরে আলম প্রকাশ নুরুকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার কাছ থেকে একটি দেশীয় অস্ত্র ও ৬ রাউন্ড কার্তুজও উদ্ধার করা হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নগর পুলিশের জনসংযোগ শাখার উপ-পরিদর্শক মোহাম্মদ ইমরান। তিনি জানান, ২৮ ফেব্রুয়ারি রাতে আকবরশাহ থানাধীন ১ নম্বর ঝিল এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে থানা পুলিশের একটি দল।
এসময় তার কাছ থেকে একটি দেশীয় তৈরী এলজি ও ৬ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করা হয়। আসামীর বিরুদ্ধে মাদক, চাঁদাবাজী, পাহাড় কাটা, ডাকাতিসহ অস্ত্র আইনে ৩০ টিরও অধিক মামলা রয়েছে। আসামীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
এদিকে গতকাল সন্ধ্যায় নগরের পতেঙ্গা থানাধীন আউটার লিংক রোডে পুলিশ সদস্যকে ভুয়া বলে সম্বোধন করে তার কাছ থেকে মোবাইল, মানিব্যাগ ও ওয়াকিটকি ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে ২ ছিনতাইকারী। পরে অভিযান পরিচালনা করে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এরা হলেন, সাইমন (২৭) ও আলী ইমাদ ওরফে তাফসীর ইমাদ (২২)।
সিএমপি সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় সেবা ৯৯৯ এ কল পেয়ে আউটার লিংক রোড়স্থ এসএপিএল ডিপো থেকে ২০০ গজ সামনে মহাসড়কের পাশে ফোর্সসহ আইন-শৃংখলা ডিউটিতে নিয়োজিত ছিলেন এসআই ইউসুফ আলী। এসময় মোটর সাইকেল যোগে সাইমন (২৭), ও আলী ইমাদ সেখানে এসে থামেন। একপর্যায়ে তারা এসআই ইউসুফ আলীকে ভুয়া পুলিশ বলে ভয়ভীতি দেখায়। এরপর তারা তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন, মানিব্যাগ ও ওয়াকিটকি ছিনিয়ে নেয়। এসআই ইউসুফ আলী নিজের পরিচয় দিয়ে সাহায্যের জন্য চিৎকার করিলে আসামীরা তাকে মারধর করে।
এমনকি তারা তাকল ভুয়া পুলিশ বলে আরও কিছু দুস্কৃতিকারীকে ঘটনাস্থলে জড়ো করে। পরবর্তীতে সী বিচ এলাকায় টহলরত অফিসার ও ফোর্স এবং আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসে। উত্তেজিত জনতা আসামিদেরকে আটক করে গণধোলাই দেয়। তবে এসময় কৌশলে আসামীদের অন্যান্য সহযোগীরা পালিয়ে যায়।
পরে এসআই ইউসুফ আলী ও তার জিনিসপত্র উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তার ২ জনের কাছ থেকে ব্যবহৃত একটি চাকু এবং মোটর সাইকেল জব্দ করে পুলিশ। এ ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুতবিচার) পতেঙ্গা থানায় একটি মামলা হয়েছে।