নিজস্ব প্রতিবেদক:
চট্টগ্রামের চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা লিগ্যাল এইড অফিসারের সাথে একটি সভায় দেখা গেছে চট্টগ্রাম মহানগর তাঁতী লীগের সভাপতি নুরুল আমিন মানিককে। আর এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা আলোচনা-সমালোচনা চলছে। অনেকেই বলেছেন, জুলাই আন্দোলনে ছাত্র হত্যাকারী কিভাবে বিচারকদের সাথে এরকম একটি অনুষ্ঠানে অংশ নিতে পারে। এর আগে ফজলে করিম চৌধুরীর সাবেক স্ত্রী ও বর্তমানে তার আইনজীবী প্রসিকিউটরদের সাথে এক সভায় মিলিত হন ঢাকায়। ওই ঘটনা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে প্লার্টফর্মে।
জানা গেছে, গতকাল লিগ্যাল এইড অফিস চট্টগ্রামের ফেসবুক আইডি থেকে একটি পোষ্ট করা হয়। সেখানে লেখা হয়, নারীদের আইনগত সহায়তা ও ক্ষমতায়নে খান ফাউন্ডেশন ও ইলমার যৌথ উদ্যোগে এক মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কাজী সহিদুল ইসলাম। এতে আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন, জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার (সিনিয়র সহকারী জজ) রুপন কুমার দাশ)। ওই সভায় ইলমার নির্বাহী পরিচালক জেসমিন সুলতানা পারু সভাপতিত্ব করেন। এতে বিচারকদের পাশেই দেখা গেছে চট্টগ্রাম মহানগর তাঁতী লীগের সভাপতি নুরুল আমিন মানিককে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক চট্টগ্রাম আদালতের কয়েকজন আইনজীবী বলেন, আওয়ামী জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ার পর নানাভাবে সামাজিক সংগঠন ও বিভিন্ন দলে যোগ দিয়ে প্রকাশ্যে আসার চেষ্টা করছে। তবে যে অনুষ্ঠানে দুইজন বিচারক ছিলেন, তাঁতী লীগের সভাপতির মতো ব্যক্তির উপস্থিতি কোনভাবেই মেনে নেয়া যায়না।
একটি সূত্র জানিয়েছে, গেল বছরের জুলাইয়ে হাসিনার নির্দেশে নুরুল আমিন মানিক ছাত্রলীগ, যুবলীগের সাথে তাঁতী লীগের নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে মিছিল করে। সেইসাথে শিক্ষার্থীদের উপর হামলা করে।
এদিকে লিগ্যাল এইডের সভায় তাঁতীলীগের সভাপতির উপস্থিতির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কারও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।