দক্ষিণ পূর্ব

চট্টগ্রামে বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলিসহ শীর্ষ সন্ত্রাসী বড় সাজ্জাদের তিন সহযোগী গ্রেপ্তার

Riayad
Riayad
প্রকাশ : ১০ মার্চ ২০২৬
পঠিত :
চট্টগ্রামে  বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলিসহ শীর্ষ সন্ত্রাসী বড় সাজ্জাদের  তিন সহযোগী গ্রেপ্তার

ছবি : সংগৃহীত

চট্টগ্রাম নগরে অভিযান চালিয়ে বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি ও একটি মোটরসাইকেলসহ শীর্ষ সন্ত্রাসী  বড় সাজ্জাদ গ্রুপের তিন সহযোগীকে গ্রেপ্তার করেছে সিএমপি । গ্রেপ্তাররা হলেন মারুফ হোসেন তুষার (২১), মো. বাবু (২৭) ও মেহেদী হাসান প্রকাশ হাসান (২২)।

সোমবার (৯ মার্চ) দিবাগত রাত থেকে মঙ্গলবার (১০ মার্চ) রাত পর্যন্ত নগরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। মঙ্গলবার রাতে সিএমপির সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক)  ওয়াহিদুল হক চৌধুরী ।

তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চকবাজার থানা পুলিশের একটি দল অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী মো. আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী প্রকাশ রিমন ইমনকে গ্রেপ্তার করে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে চকবাজার এলাকা থেকে একটি বিদেশি থ্রি-টু বোর রিভলভার ও ৯ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া অস্ত্রটি সিএমপির পাহাড়তলী থানা থেকে লুট করা হয়েছিল।

পুলিশ জানায়, রিমন ইমন বহদ্দারহাটে সংঘটিত আলোচিত বহদ্দারহাট আট হত্যা মামলা-এর যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি এবং বড় সাজ্জাদ গ্রুপের অন্যতম সহযোগী।

রিমনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পাঁচলাইশ থানা পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে ব্রাজিলিয়ান টরাস নাইন এমএম পিস্তল ও একটি মোটরসাইকেলসহ মনির নামে আরেক সহযোগীকে গ্রেপ্তার করে। উদ্ধার হওয়া পিস্তলটি সিএমপির ডবলমুরিং থানা থেকে লুট করা হয়েছিল।

পরে মনিরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী বায়েজিদ বোস্তামী থানা এলাকা থেকে তার সহযোগী সায়েমকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার দেখানো মতে খুলশী থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি সাবমেশিনগান, দুটি ম্যাগাজিন এবং ৫০ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে ওয়াহিদুল হক চৌধুরী বলেন, উদ্ধার হওয়া অস্ত্রগুলো খাগড়াছড়ির পাহাড়ি সন্ত্রাসীদের কাছ থেকে কেনা হয়েছে। গ্রেপ্তার তিনজনই বড় সাজ্জাদ গ্রুপের সক্রিয় সদস্য। তারা সাজ্জাদের নির্দেশে খুন, ডাকাতি, চাঁদাবাজি ও বালুমহাল নিয়ন্ত্রণে সশস্ত্রভাবে অংশ নিতেন।

তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তার রিমন ইমনের কাছ থেকে সাজ্জাদ গ্রুপের নতুন সদস্যদের শপথ গ্রহণ সংক্রান্ত একটি ভিডিও ক্লিপ উদ্ধার করা হয়েছে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা জানিয়েছেন, সম্প্রতি চন্দনপুরা এলাকায় এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে গুলির ঘটনায় উদ্ধার হওয়া তিনটি অস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছিল। বিষয়টি পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত করা হবে।

পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার মনির ও সায়েমের বিরুদ্ধে খুন, ডাকাতি, চাঁদাবাজি ও অস্ত্র আইনে অন্তত ১০টি মামলা রয়েছে। এ ঘটনায় অন্য সহযোগীদের গ্রেপ্তার ও আরও অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। 

আরএইচ 

নিউজলেটার

সর্বশেষ খবর সরাসরি আপনার ইনবক্সে পেতে সাবস্ক্রাইব করুন।