দক্ষিণপূর্ব ডেস্ক
চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলায় সংরক্ষিত বনাঞ্চলে গাছ কেটে নিয়ে যাওয়ার সময় বাধা দেওয়ায় বন কর্মকর্তাদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। হামলায় বন বিভাগের অন্তত পাঁচ কর্মকর্তা-কর্মচারী আহত হয়েছেন। এক বিএনপি নেতার নেতৃত্বে এ হামলা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) রাতে উপজেলার ধোপাছড়ি ইউনিয়নের পরানজুরানি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন, চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগের আওতাধীন ধোপাছড়ি বিট কর্মকর্তা সুদত্ত চাকমা, ফরেস্টার ইমন বিল্লা, বনরক্ষক আবু বক্কর সিদ্দিক ও শুভ ইসলাম এবং টহল দলের প্রধান মো. কুতুব।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ধোপাছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য ও ইউনিয়ন বিএনপির নেতা মোজাম্মেল হক ও তার লোকজন এ হামলায় জড়িত।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাতের আঁধারে ধোপাছড়ি বনাঞ্চল থেকে সেগুন গাছ কেটে নেওয়ার খবর পেযে অভিযানে যান বন বিভাগের কর্মকর্তারা। তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হওয়ার পর আকস্মিক হামলার মুখে পড়েন। বেধড়ক পিটিয়ে তাদের সেখানে ফেলে হামলাকারীরা চলে যায়। খবর পেয়ে ধোপাছড়ি পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে দোহাজারী সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান।
চট্টগ্রাম দক্ষিণ বনবিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক এ কে এম ইমরুল কায়েস বলেন, বনের গাছ কেটে পাচারের অভিযোগ পেয়ে অভিযান চালাতে গেলে বনবিভাগের কর্মকর্তাদের ওপর হামলা হয়েছে। এতে আমাদের পাঁচজন আহত হয়েছেন। জনৈক মোজাম্মেলের নেতৃত্বে হামলা হয়েছে বলে জানতে পেরেছি।
মোজাম্মেল হক অভিযোগ অস্বীকার করে সাংবাদিকদের বলেন, প্রথমে ঘটনাস্থলে আমি ছিলাম না। খবর পেয়ে আমি বরং ঘটনাস্থলে গিয়ে হামলাকারীদের নিবৃত করি। আমি বন কর্মকর্তাদের কোন আঘাত করিনি।
চন্দনাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম সারোয়ার বলেন, বনবিভাগের কর্মকর্তাদের অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। পরবর্তীতে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ইই