নিজস্ব প্রতিবেদক
চট্টগ্রাম নগরের শীর্ষ সন্ত্রাসী আলী আকবর প্রকাশ ঢাকাইয়া আকবর হত্যা মামলার আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলী খানের বড় ভাই ও ভাগ্নেকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৭ ও নগর পুলিশের একটি দল।তবে এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে আকবরকে ‘হানিট্র্যাপে’ ফেলা রহস্যময় সেই নারী।
সোমবার (২৬ মে) দিবাগত রাত ১২টার দিকে নগরের পাঁচলাইশ থানাধীন দি কিং অব চিটাগং ক্লাব এবং চান্দগাঁও থানা এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার দুজন হলেন—ওসমান আলী সেগুন (৩৪) এবং তার ভাগিনা মো. আলভিন (৩০)। এদের মধ্যে সেগুন বিদেশে পলাতক সাজ্জাদ আলী খান প্রকাশ বড় সাজ্জাদের বড় ভাই।
জানা গেছে, সোমবার রাতে সন্ত্রাসী ঢাকাইয়া আকবর হত্যা মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারে পৃথক অভিযান চালায় র্যাব। সেসময় সেগুন ও আলভিনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এদিকে আরেকটি সূত্রের দাবি, এজাহারনামীয় আরেক আসামি ইমনকেও তার নিজ বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে সেই তথ্যের সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
নগর পুলিশের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা সোমবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে জানিয়েছেন, আকবর হত্যার ঘটনায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা র্যাবের হেফাজতে আছেন। প্রক্রিয়া শেষে তাদের পতেঙ্গা থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
তবে সকালে র্যাব-৭ এর পক্ষ হতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়,সোমবার রাতে নগরের চান্দগাঁও থানার ফরিদারপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে আলভিনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আরেক আসামি সেগুনকে গ্রেপ্তারের বিষয় র্যাবের পক্ষ হতে এখনো নিশ্চিত করা হয়নি।
এর আগে গত ২৩ মে রাত সাড়ে ৮টার দিকে চট্টগ্রাম নগরের পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকত এলাকার পশ্চিম পয়েন্টের ২৮ নম্বর দোকানের সামনে আড্ডারত অবস্থায় সন্ত্রাসী ঢাকাইয়া আকবরকে গুলি করে দুর্বৃত্তরা।একই ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হন দর্শনার্থী জান্নাতুল বাকী (৩০) এবং শিশু মহিম ইসলাম রাতুল (৮)। সে নগরের দক্ষিণ পতেঙ্গার ফুলছড়িপাড়ার শওকত হোসেনের ছেলে। ঘটনার দুইদিন পর গত ২৫ মে সকাল ৮টায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকাইয়া আকবরের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় তার স্ত্রী রুপালী বেগম বাদী হয়ে একই দিন ১১ জনের নাম উল্লেখ করে পতেঙ্গা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।