দক্ষিণ পূর্ব

নির্বাচনী পরিবেশ সবার সম্মিলিত দায়িত্ব: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম

shakhawat sohan
shakhawat sohan
প্রকাশ : ৬ জুলাই ২০২৫
পঠিত :
নির্বাচনী পরিবেশ সবার সম্মিলিত দায়িত্ব: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম
দক্ষিণপূর্ব ডেস্ক 

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, নির্বাচন কেবল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর নির্ভর করে না, এর সঙ্গে জড়িত রয়েছে প্রশাসন, নির্বাচন কমিশন এবং দলীয় প্রার্থীদেরও সক্রিয় ভূমিকা।

রোববার (৬ জুলাই) দুপুরে উত্তরা শিল্প পুলিশ সদর দপ্তর ও উত্তরা পূর্ব থানা পরিদর্শন শেষে থানার প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে জামায়াতে ইসলাম ও এনসিপির নেতা-কর্মীদের আশঙ্কা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নির্বাচন শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর নির্ভর করে না। নির্বাচন কমিশন, প্রশাসন এবং যাঁরা প্রার্থী হিসেবে অংশ নিচ্ছেন, তাঁদের সক্রিয় ও দায়িত্বশীল ভূমিকা জরুরি। আমাদের প্রস্তুতি যথাযথ আছে, কোনো ঘাটতি নেই।

তিনি আরও বলেন, ইলেকশন কমিশন পুলিং ও প্রিসাইডিং অফিসার নিয়ন্ত্রণ করে, রিটার্নিং অফিসার আসে প্রশাসন থেকে। আর আমরা দেখি নিরাপত্তা। মূল দায়িত্ব নির্বাচন আয়োজকদের। তবে আমরা নিজেদের প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছি। আগামী পাঁচ-ছয় মাসের মধ্যে আরও দৃঢ় প্রস্তুতি হবে।

সাম্প্রতিক সময়ের মব সহিংসতা ও সামাজিক অস্থিরতা প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, লালমনিরহাট, ফরিদপুরসহ কয়েকটি এলাকায় মব ঘটনার পুনরাবৃত্তি হয়েছে। আগের তুলনায় সাংবাদিকদের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় আমরা তাৎক্ষণিকভাবে তথ্য পাচ্ছি। মব যাতে না ঘটে, সেজন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছি এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

তিনি জানান, রংপুরে সাম্প্রতিক সহিংসতার ঘটনায় সাতজনকে ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে অপরাধীরা স্থান পরিবর্তন করায় গ্রেপ্তারে কিছুটা সময় লাগছে।

লালমনিরহাটে থানায় হামলার পর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সেসব এলাকায় পুলিশের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি সেনাবাহিনী ও বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।

শিল্প পুলিশের সক্ষমতা প্রসঙ্গে জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ কঠোর পরিশ্রম করে আগস্টের পরের সংকট মোকাবিলা করেছে। তবে তাদের জনবল ও সরঞ্জামের ঘাটতি রয়েছে। দেশের শিল্পকারখানার সংখ্যা বাড়ছে, তাই শিল্প পুলিশের সক্ষমতা বাড়াতে হবে।

তিনি জানান, এই বিষয়ে শিল্প পুলিশের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উত্তরা পূর্ব থানা পরিদর্শনের বিষয়ে তিনি বলেন, এর আগেও আমি এখানে এসেছিলাম। থাকার জায়গা থাকলেও তখন ওয়াশরুম ও গোসলখানার অভাব ছিল। আমি ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলাম। আজ এসে দেখলাম, সেই কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

পরিদর্শনের সময় উত্তরা বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. মহিদুল ইসলাম, বিমানবন্দর জোনের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার (এডিসি) আহমেদ আলী এবং উত্তরা পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. গোলাম মোস্তফাসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এসএস

নিউজলেটার

সর্বশেষ খবর সরাসরি আপনার ইনবক্সে পেতে সাবস্ক্রাইব করুন।