নিজস্ব প্রতিবেদক
বাঁশখালী উপজেলার নাপোড়া রিজার্ভ বনভূমির জায়গায় অবৈধভাবে সেমি পাকা স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে আব্দুর রহিম নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। নাপোড়া বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য বিটের আওতাধীন পূর্বচালিয়া পাড়া (ইসমাইল মাস্টার পাড়া) এলাকায় মোরশেদের দোকানের সিরাজুল হকের বসতভিটার পূর্ব পাশে এই স্থাপনা নির্মাণ কাজ চলছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আব্দুর রহিম নিজেকে স্থানীয় শ্রমিক ফেডারেশনের কর্মী পরিচয় দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বনভূমির জমি দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছিলেন। বর্তমানে সেখানে সেমি পাকা নির্মাণকাজ চলছে। জমিটির চারদিকের সীমানা হিসেবে পূর্বে ছাবুকান্নাহার, পশ্চিমে সিরাজুল হক, দক্ষিণে নবী হোসেন ও উত্তরে রিদুয়ান মিয়ার বসতভিটা রয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। জমিটি নাপোড়া মৌজার রিজার্ভ ফরেস্টভুক্ত এলাকা।
অভিযোগ রয়েছে, নাপোড়া বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য বিটের ফরেস্টার ও বিট কর্মকর্তা অঞ্জন কান্তি দাসের সঙ্গে যোগসাজশ করে আব্দুর রহিম অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করছেন। কাজ চলমান থাকলেও বনবিভাগের পক্ষ থেকে এখনো কোনো ব্যবস্থা নিতে দেখা যায়নি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয়রা বলেন, “রিজার্ভ বনভূমিতে এভাবে স্থাপনা নির্মাণের সুযোগ থাকলে বন রক্ষা অসম্ভব হয়ে যাবে। বিট অফিসের নীরবতা রহস্যজনক।”
অভিযুক্ত আব্দুর রহিম এর ফোনটি বন্ধ রাখায় কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বাঁশখালী নাপোড়া বণ্যপ্রাণী অভয়ারণ্য বিটের বিট অফিসার অঞ্জন কান্তি দাস বলেন, বিষয়টি খবর পেয়ে আমাদের একটি টিম ওখানে পাঠানো হয়েছে তারা বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করে নিয়ে আসে এবং তাদেরকে কাজ বন্ধ রাখার জন্য বলা হয়েছে। তথ্য প্রামাণে যদি এটি বন বিভাগের জায়গা প্রমাণিত হয় তাহলে আমরা আইনগত সহায়তা চাইব।
এমএইচএফ