দক্ষিণ পূর্ব

বিচার চাইতে গিয়ে এমপি-ওসির সামনেই হামলার শিকার বিএনপি কর্মী

Riayad
Riayad
প্রকাশ : ২৮ জুন ২০২৬
পঠিত :
বিচার চাইতে গিয়ে এমপি-ওসির সামনেই হামলার শিকার বিএনপি কর্মী

ছবি: সংগৃহীত

ফটিকছড়ি উপজেলার হেয়াঁকো বনানী ডিগ্রি কলেজ মাঠে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অনুষ্ঠানে পূর্বের হামলার বিচার চাইতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপিকর্মী ও প্রবাসী মানিক নামে এক যুবক। 

 

রোববার (২৮ জুন) বিকেলে এ ঘটনা ঘটে।তার দাবি, বেসরকারিভাবে নির্বাচিত সংসদ সদস্য সরওয়ার আলমগীর ও ভুজপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিপুল চন্দ্র দে'র উপস্থিতিতেই এ ঘটনা ঘটে। হামলায় এক নারীসহ তার পরিবারের আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

 

অভিযোগের তীর স্থানীয় বিএনপি নেতা নাসিরউদ্দিন বিপ্লব ও তার অনুসারীদের বিরুদ্ধে। তবে অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন বিপ্লব। এদিকে, ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ভুজপুর থানার ওসি জানিয়েছেন, অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

প্রত্যক্ষদর্শী ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, পূর্বে নিজ বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও মারধরের ঘটনার বিচার চেয়ে অনুষ্ঠানে উপস্থিত সংসদ সদস্যের কাছে অভিযোগ জানাতে এগিয়ে যান মানিক। এ সময় সেখানে ভুজপুর থানার ওসিও উপস্থিত ছিলেন। অভিযোগ, এ সময় নাসিরউদ্দিন বিপ্লবের সঙ্গে তার বাকবিতণ্ডা শুরু হলে একপর্যায়ে বিপ্লব ও তার অনুসারীরা মানিক এবং তার পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা চালান। এতে মানিকসহ কয়েকজন আহত হন।

 

ভুক্তভোগী মানিক বলেন, "নাসিরউদ্দিন বিপ্লব আমার বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর চালিয়েছেন। ওই ঘটনার প্রতিবাদে আমি মানববন্ধন করেছি এবং এ বিষয়ে মামলা চলমান রয়েছে। আজ এমপির কাছে বিচার চাইতে গেলে তাঁর সামনেই এবং পুলিশের উপস্থিতিতে আমাকে মারধর করা হয়। এ সময় আমাকে গুলি করে হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়েছে।"

 

স্থানীয় কয়েকজনের দাবি, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে নাসিরউদ্দিন বিপ্লবের বিরুদ্ধে এর আগেও নানা অভিযোগ উঠেছে। তাদের ভাষ্য, রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে এলাকায় অস্থিরতা সৃষ্টি করায় সাধারণ মানুষ উদ্বেগের মধ্যে রয়েছেন।

 

তবে সব অভিযোগ নাকচ করে নাসিরউদ্দিন বিপ্লব বলেন, "এ ধরনের কোনো ঘটনাই ঘটেনি।" পরে তিনি ফোনে নিজের অবস্থান জানিয়ে দেখা করার কথা বললেও আর যোগাযোগ করেননি।

 

ভুজপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিপুল চন্দ্র দে বলেন, "এমপি ও পুলিশের উপস্থিতিতে বিপ্লব ও মানিক নামে দুই ব্যক্তির মধ্যে কথা-কাটাকাটির পর হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করে।"

 

তিনি আরও বলেন, "ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষ লিখিত অভিযোগ দিলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

 

আর এইচ/ দক্ষিণপূর্ব 

নিউজলেটার

সর্বশেষ খবর সরাসরি আপনার ইনবক্সে পেতে সাবস্ক্রাইব করুন।