পটিয়া প্রতিনিধি
বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনরত ছাত্রদের ওপর সশস্ত্র হামলায় নেতৃত্ব দেওয়া ফাহিম চৌধুরী (৩০) এবার ব্যবসায়ী অপহরণের ঘটনায় মূল হোতা হিসেবে অভিযুক্ত হয়েছে।
বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার মুন্সেফ বাজার এলাকার ব্যবসায়ী নুরুল আবছার আরজুকে অস্ত্রের মুখে তুলে নিয়ে যায় ফাহিমের নেতৃত্বাধীন একটি গ্রুপ। পরে মুক্তিপণের টাকা না পেয়ে অপহৃত ব্যবসায়ীকে মারধর করে ছেড়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।
ফাহিম চৌধুরী (৩০) ১৩নং দক্ষিণ ভূর্ষি ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের পশ্চিম ডেংগাপাড়া এলাকার আইয়ুব আলী চৌধুরীর পুত্র। সে যুবলীগ ক্যাডার প্রজ্ঞাজ্যোতি বড়ুয়া ওরফে লিটন বড়ুয়ার ঘনিষ্ঠ অনুসারী বলে এলাকাবাসীর দাবি। ফাহিম চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে ছাত্রদের উপর হামলার ঘটনায় সরাসরি জড়িত ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনার পর এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
স্থানীয়রা বলছেন, যে ব্যক্তি এক সময় শিক্ষার্থীদের উপর হামলা চালিয়ে আলোচনায় এসেছিল, সে এখন অপহরণচক্রের নেতৃত্ব দিচ্ছে—এটি সমাজের জন্য ভয়াবহ সংকেত। তাদের মতে, ছাত্রলীগের পরিচিত কিছু ক্যাডার এসব অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে যুক্ত হয়ে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করছে। সম্প্রতি তারা রাতের আঁধারে চুরি, পথচারীদের উপর ছিনতাই এবং ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চাঁদা আদায়ে জড়িয়ে পড়েছে। এতে সাধারণ মানুষ চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।
ইতিপূর্বে উপজেলার দক্ষিণ ভুর্ষি ইউনিয়নের কেচিয়াপাড়া এলাকায় রিকশা ছিনতাইয়ে বাঁধা প্রদান করায় ছুরিকাঘাতে এক চালককে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় পুলিশ এখনো কাউকে আটক করতে পারেন নি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরুজ্জামান বলেন, অপরাধীদের ধরতে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে। অতিসত্বর অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হবে।
ইই