নিজস্ব প্রতিবেদক:
চট্টগ্রামের পটিয়ায় মোহাম্মদ নেজাম উদ্দীন (৩০) নামে এক যুবকের আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। কারণ হিসেবে পারিবারিক কলহে মায়ের করা মামলায় স্ত্রী কারাগারে যায়। সে অপমান সইতে না পেরে ছেলের আত্মহত্যা করেছে বলে ধারণা করছেন স্থানীয়রা।
শনিবার (৩০ আগষ্ট) রাত ১২.৩০ টার দিকে উপজেলার হাবিলাসদ্বীপ ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের নিজ ঘরে গলায় ফাঁস লাগিয়ে তিনি আত্মহত্যা করেন। নেজাম চরকানাই বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের দপ্তরী এবং চরকানাই গ্রামের জামাল উদ্দিনের পুত্র।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নেজামের মায়ের সাথে তার স্ত্রীর দীর্ঘদিন ধরে বনিবনা হচ্ছে না। স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার জন্য নেজামের উপর তার বাবা-মা দীর্ঘদিন ধরে চাপ দিয়ে আসছে। কিন্তু স্ত্রীকে তালাক দিতে নেজাম অস্বীকৃতি জানায়। কয়েকদিন আগে এসব পারিবারিক কলহ উভয় পক্ষের মধ্যে মারামারিতে রূপ নিলে এক পর্যায়ে নেজামের মা আহত হন। পরবর্তীতে তিনি বাদী হয়ে পটিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। গত বৃহস্পতিবার ওই মামলায় নেজামের জামিন হলেও তার স্ত্রীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত। স্ত্রীর সাথে তার আড়াই বছরের একটি পুত্র সন্তানও কারাগারে রয়েছে।
স্ত্রী ও ছেলে কারাগারে থাকায় অপমানে আত্মহত্যা করেছে নেজাম-এমন ধারণা স্থানীয়দের। কারাগারে বসেই নেজামের আত্মহত্যার সংবাদ শুনলো স্ত্রী ও আড়াই বছর বয়সী সন্তান।
চরকানাই বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বদিউল আলম জানান, নেজাম উদ্দীনের পারিবারিক কলহের বিষয়ে জানি। পারিবারিক কলহের জেরে এই আত্মহত্যার ঘটনা ঘটতে পারে। নেজাম খুবই অমায়িক একটা ছেলে ছিলো। তার মৃত্যুতে আমরা মর্মাহত।
রহা