দক্ষিণ পূর্ব

রাউজানে দেশী-বিদেশী অস্ত্রসহ যুবদল নেতা ও তার সহযোগী গ্রেপ্তার

RAFIQ HYDER
RAFIQ HYDER
প্রকাশ : ৫ মার্চ ২০২৫
পঠিত :
রাউজানে দেশী-বিদেশী অস্ত্রসহ যুবদল নেতা ও তার সহযোগী গ্রেপ্তার
নিজস্ব প্রতিবেদক 

চট্টগ্রামের রাউজানে একটি বিদেশী পিস্তল ও একটি দেশীয় এলজি এবং ৭ রাউন্ড গুলি, ২ রাউন্ড কার্তুজসহ আরাফাত মামুন নামে এক যুবদল নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। একইসাথে বিপ্লব বড়ুয়া নামে তার এক সহযোগীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। 

বুধবার (৫ মার্চ) ভোর রাতে রাউজানের বাগোয়ান ইউনিয়নের গরীবুল্লা পাড়ার একটি বাড়ি থেকে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাউজান থানার ওসি মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়্যা। জানা গেছে, গ্রেপ্তার দুজন রাউজানে প্রকাশ্যে দিবালোকে গুলি করে ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর আলম হত্যা মামলার সন্দেহজনক আসামি।  

গ্রেপ্তাররা হলেন, রাউজান উপজেলার বাগোয়ান ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড গরীবুল্লাহ পাড়ার আবু আহমেদের ছেলে আরফাত মামুন (৪৯) ও উপজেলার পূর্বগুজরা ইউনিয়নের হোয়ারাপাড়া গ্রামের তেজন্দ্র লাল বড়ুয়ার ছেলে বিপ্লব বড়ুয়া। এদের মধ্যে আরাফাত মামুন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম আকবর খন্দকারের অনুসারী হিসেবে পরিচিত। বিএনপি ও যুবদলের কোন পদ-পদবীতে না থাকলেও মামুন নিজেকে যুবদল নেতা হিসেবে পরিচয়। দেন। চট্টগ্রাম-কাপ্তাই সড়কে তিনি গোলাম আকবর খন্দকারের পক্ষে একটি তোরণও নির্মাণ করেছেন। 


গ্রেপ্তারের সময় তাদের কাছে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি দেশীয় এলজি ও ৭ রাউন্ড গুলি এবং ২ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করা হয়। রাউজান থানার ওসি মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, ভোর রাতে অভিযান পরিচালনা করে ২ জনকে দেশী-বিদেশী অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে রাউজান থানায় বেশ কয়েকটি মামলা রয়েছে। আজকে আরও নতুন মামলা দায়ের করা হবে। পরে আদালতে পাঠানো হবে। তিনি আরও বলেন, তারা কোন রাজনৈতিক দলের সদস্য কিনা জানিনা। আমাদের কাছে তাদের পরিচয় হচ্ছে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী। 



উল্লেখ্য, গত ২৪ জানুয়ারি উপজেলার নোয়াপাড়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের আসাদ আলী মাতব্বর পাড়ায় জুমার নামাজ আদায় করে বাবা-মায়ের করব জেয়ারত করতে আসার পথে চাকতাইয়ের শুটকি ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর আলম দুর্বৃত্তের গুলিতে নিহত হয়। এ ঘটনার ১০ দিন পর গত ৩ ফেব্রুয়ারী নিহতের ছেলে মোঃ মাকসুদ আলম বাদী হয়ে ২৫-৩০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা দায়ের করেন। এর আগে এই মামলায় রমজান আলী ও গিয়াস উদ্দিন নামের দুই জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তারা বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। যদিও এখনও এই হত্যাকাণ্ডের কোন রহস্য উদঘাটন হয়নি।

চট্টগ্রাম পুলিশ সুপার কার্যালয়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (শিল্পাঞ্চল ও ডিবি) রাসেল বলেন, দুই জনকে আমরা গ্রেপ্তার করেছি। তাদের কাছ থেকে অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। বিস্তারিত পরে বলতে পারব।

নিউজলেটার

সর্বশেষ খবর সরাসরি আপনার ইনবক্সে পেতে সাবস্ক্রাইব করুন।