রাঙামাটি প্রতিনিধি
তরুণীকে ডেকে এনে ঘরে আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগে রাঙামাটি শহরের কসমস রেষ্টুরেন্ট ও মায়ের দোয়া নার্সারির মালিক এ.কে.এম সালাহ উদ্দিন (৪৫)কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) বিকেলে সালাহউদ্দিনকে কোতয়ালী থানা থেকে আদালতে প্রেরণ করলে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত তাকে জেল হাজতে প্রেরণের আদেশ দেন। এরআগে বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) রাতে রাঙামাটি শহরের কোর্ট বিল্ডিং এলাকা থেকে সালাহ উদ্দিনকে গ্রেফতার করে কোতয়ালী থানা পুলিশ।
কোতয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ সাহেদ উদ্দিন গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, জনৈক তরুণীর লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে সালাহউদ্দিনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনানুগ কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী তরুণীকে চাকুরির প্রলোভন দেখিয়ে নিজ বাসায় ডেকে এনে ধর্ষণ করেন সালাহউদ্দিন। পরবর্তীতে বিকেল বেলায় ভিকটিম তরুণী ধর্ষকের হাত থেকে মুক্ত হয়ে সন্ধ্যারাতে কোতয়ালী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ পাওয়ার সাথে সাথেই কোতয়ালী থানা পুলিশের একটি টিম অভিযান পরিচালনা করে সালাহউদ্দিনকে গ্রেফতার করে।
কোতয়ালী থানা সূত্র জানায়, রাঙামাটি শহরের হোটেল শাপলা (পূর্বের নাম) এর উপরে স্থাপিত আধুনিক রুফটপ রেষ্টুরেন্টখ্যাত কসমস রেষ্টুরেন্ট এবং মায়ের দোয়া নার্সারির মালিক সালাহউদ্দিন এর আগেও গত পহেলা জুলাই এক কলেজ শিক্ষার্থীকে যৌন প্রস্তাবের কারনে উক্ত তরুনী কর্তৃক দায়েরকৃত মামলায় গ্রেফতার হয়েছিলো। উক্ত তরুনীর কাছে সালাহউদ্দিন কর্তৃক কুপ্রস্তাব দেওয়ার অডিও রেকর্ডও সংরক্ষিত আছে। এছাড়াও এই সালাহউদ্দিনের বিরুদ্ধে একাধিক নারীকে চাকুরীর প্রলোভনে দেখিয়ে যৌন হয়রানীর অভিযোগ সম্পর্কে পুলিশ ওয়াকিবহাল রয়েছে।
আলমগীর/এমএইচএফ