নিজস্ব প্রতিবেদক:
বাংলাদেশ
ইসলামি ছাত্র শিবির চট্টগ্রাম মহানগরী দক্ষিণ শাখার উদ্যোগে চট্টগ্রামে কর্মরত সাংবাদিকদের সম্মানে ইফতার মাহফিল সম্পন্ন হয়েছে।
শনিবার
(২২ মার্চ) বিকাল ৫ টায় স্টেশান
রোডস্থ হোটেল সৈকতে উক্ত ইফতার
মাহফিল অনুষ্ঠিত
হয়।
বাংলাদেশ
ইসলামী ছাত্রশিবির কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদ সদস্য এবং ইসলামী ছাত্রশিবির চট্টগ্রাম মহানগর দক্ষিণের সভাপতি মু. ইব্রাহীম হোসেন রনির সভাপতিত্বে সেক্রেটারি
মাইমুনুল ইসলাম মামুনের সঞ্চালনায় উক্ত অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন দৈনিক কর্ণফুলীর সিনিয়র সাংবাদিক রফিক মোহাম্মদ এবং দৈনিক দক্ষিণ পুর্ব প্রতিনিধি মুহাম্মদ উল্লাহ ভুঁইয়া।
সভাপতির বক্তব্যে ইব্রাহিম হোসেন রনি বলেন, ইসলামী ছাত্র শিবিরের কর্মীরা পরিচালিত হয় শিবিরের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য: ''আল্লাহ প্রদত্ত ও রাসুল সাঃ
প্রদর্শিত বিধান অনুযায়ী মানুষের সার্বিক কল্যাণ সাধন করার মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন" কে সামনে
রেখে। মানুষের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময় হচ্ছে শিক্ষা জীবন। ছাত্রশিবির ছাত্রদের শিক্ষা জীবনের উন্নতি সাধনকল্পেই অবিরাম প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
তিনি
বলেন, ছাত্রশিবিরকে সাধারণ ছাত্রসমাজের সামনে তুলে ধরার জন্য আমরা প্রতিটি ক্যাম্পাসে প্রকাশনা উৎসব আয়োজনের মাধ্যমে ব্যাপকভাবে আলোচিত এবং প্রশংসিত হয়েছি। গত ১৭ বছর
যে ক্যাম্পাস গুলো চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি এবং অস্ত্রের ঝনঝনানিতে মুখরিত ছিল, পরিণত হয়েছিলো মাদকের অভয়ারণ্যে, ২৪শের অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে আমরা সেই ক্যাম্পাসগুলোকে নতুনভাবে গড়ে তুলতে চাই।
তিনি
আরও বলেন, ইসলামী ছাত্রশিবির তার বন্ধু প্রতিম সংগঠন: জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন সহ অন্যান্য যে
সকল প্ল্যাটফর্ম রয়েছে, প্রত্যেকের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখে প্রত্যেকটি ক্যাম্পাসে ইসলামের
দাওয়াত পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছে।
রনি
বলেন,পৃথিবীতে যতো বড় বড় যুদ্ধ এবং বিপ্লব সাধিত হয়েছে,বিপ্লব পরবর্তী সময়ে সাংবাদিকদের ভূমিকা ছিল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে পতিত ফ্যাসিস্ট আমলে সাংবাদিকরা সত্য ও ন্যায় নিষ্ঠ
সংবাদ প্রচারে সর্বদা বাঁধাগ্রস্ত হয়েছেন। ২৪শের ছাত্রজনতার বিপ্লবে যেসব সাংবাদিক সাহসী ভূমিকা রেখেছেন,আমি তাদের ভূয়সী প্রশংসা করছি এবং যেসব সাংবাদিক ভাইয়েরা শহীদ হয়েছেন,তাদের জন্য আল্লাহর দরবারে মাগফিরাত কামনা করছি। নতুন বাংলাদেশ গঠনে সাংবাদিক ভাইদের অবশ্যই ৩৬ জুলাইয়ের চেতনা
বুকে ধারণ করতে হবে,নাহলে দেখা যাবে নতুন কোন স্বৈরাচার আবারো বাংলাদেশের মানচিত্র খামচে ধরবে।
এতে চট্রগ্রামে কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিকস মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।এতে অন্যদের মধ্যে ছাত্রশিবির চট্টগ্রাম মহানগর দক্ষিণ শাখার সেক্রেটারি মাইমুনুল ইসলাম মামুন, বাইতুলমাল সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম, পরিকল্পনা ও ফাউন্ডেশন সম্পাদক তানভির মোস্তাফা, মিডিয়া ও প্রচার সম্পাদক জাহিদুল আলম জয় উপস্থিত ছিলেন।