দক্ষিণ পূর্ব

সাইবার হামলার ঝুঁকি মোকাবিলায় চট্টগ্রাম বন্দরে অত্যাধুনিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা চালু

Riayad
Riayad
প্রকাশ : ২৯ জুন ২০২৬
পঠিত :
সাইবার হামলার ঝুঁকি মোকাবিলায় চট্টগ্রাম বন্দরে অত্যাধুনিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা চালু

ছবি সংগৃহীত

ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক সাইবার হামলার হুমকির মুখে দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর চট্টগ্রাম বন্দরের ডিজিটাল অবকাঠামো আরও সুরক্ষিত করতে অত্যাধুনিক সাইবার নিরাপত্তা ব্যবস্থা চালু করেছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ (চবক)।

 

রোববার (২৮ জুন) বন্দর কর্তৃপক্ষের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই নিরাপত্তা ব্যবস্থার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন চবক চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এস. এম. মনিরুজ্জামান। অনুষ্ঠানে বন্দর কর্তৃপক্ষের বোর্ড সদস্য, প্রকল্প পরিচালক, বিভাগীয় ও শাখা প্রধানসহ প্রকল্প বাস্তবায়নের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কারিগরি বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন।

 

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ডিজিটাল প্রযুক্তির দ্রুত বিস্তারের ফলে বন্দর পরিচালনায় স্বয়ংক্রিয় লজিস্টিকস, অনলাইন সেবা, আর্থিক লেনদেন এবং তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর কার্যক্রমের ব্যবহার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে সাইবার হামলার ঝুঁকিও। এ বাস্তবতায় বন্দরের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও সেবা সুরক্ষিত রাখতে একটি আধুনিক ও সমন্বিত সাইবার নিরাপত্তা অবকাঠামো গড়ে তোলা হয়েছে।

 

এ লক্ষ্যে চলতি বছরের ১১ জানুয়ারি বাংলাদেশ নৌবাহিনী পরিচালিত ডকইয়ার্ড অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস লিমিটেডের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। সেই প্রকল্পের আওতায় সর্বাধুনিক নিরাপত্তা প্রযুক্তি সংযোজনের মাধ্যমে বন্দরের ডিজিটাল নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করা হয়েছে।

 

নতুন সাইবার নিরাপত্তা ব্যবস্থায় সম্ভাব্য সাইবার হামলা আগাম শনাক্তকরণ, সংবেদনশীল তথ্যের নিয়ন্ত্রিত প্রবেশাধিকার, ভাইরাস ও ম্যালওয়্যার প্রতিরোধ, জিরো-ডে (Zero-day) হুমকি সম্পর্কে তাৎক্ষণিক গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, ডিস্ট্রিবিউটেড ডিনায়েল অব সার্ভিস (DDoS) হামলা প্রতিরোধ, সার্বক্ষণিক নেটওয়ার্ক পর্যবেক্ষণ, ডিজিটাল ফরেনসিক বিশ্লেষণ এবং ২৪ ঘণ্টা পরিচালিত নেটওয়ার্ক ও সিকিউরিটি অপারেশনস সেন্টার (NOC/SOC)-এর মাধ্যমে নিরবচ্ছিন্ন নজরদারির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

 

চবক জানিয়েছে, এই অত্যাধুনিক সাইবার নিরাপত্তা ব্যবস্থা আন্তর্জাতিক জাহাজ ও বন্দর সুবিধা নিরাপত্তা (ISPS) কোডের মানদণ্ড পূরণে সহায়ক হবে। পাশাপাশি বন্দরের ২৪ ঘণ্টার নিরবচ্ছিন্ন কার্যক্রম নিশ্চিত করার পাশাপাশি দেশি-বিদেশি বন্দর ব্যবহারকারী, ব্যবসায়ী ও আন্তর্জাতিক শিপিং অংশীদারদের জন্য আরও নিরাপদ, নির্ভরযোগ্য এবং স্বচ্ছ ডিজিটাল পরিবেশ নিশ্চিত করবে।

 

আর এইচ/ দক্ষিণপূর্ব 

নিউজলেটার

সর্বশেষ খবর সরাসরি আপনার ইনবক্সে পেতে সাবস্ক্রাইব করুন।