চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের ৭২ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। মামলায় ৩৭ জনের নাম উল্লেখ করে আরও ৩৫ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
শনিবার (৬ জুন) রাতে ফৌজদারহাট পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) ধনতোষ চাকমা বাদী হয়ে সীতাকুণ্ড মডেল থানায় মামলাটি দায়ের করেন।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— সৈয়দ আশরাফ, সাইফুদ্দিন শিকদার পারভেজ ও আশরাফুল ইসলাম। তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মামলায় নাম উল্লেখ করা অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন হামিদ, সোহেল, হাসান, রাফি, রাসেল, তৌহিদুল ইসলাম, এরশাদ, ফারুক (কাচি ফারুক), সোহেল মেম্বার, শহিদুল ইসলাম, কাজী বাবুল খান, কাজী রকি, জহির উদ্দিন, শাখাওয়াত হোসেন সাগর, শাওন, টিটু, দীপু, সালাউদ্দিন, আজম, মুন্না, রবিউল হোসেন (শাকিল), সাদ্দাম, আমজাদ হোসেন, আজাদ, বাবলু হোসেন, হাবিবুর রহমান তুষার, আবির হোসেন জেকি, আব্দুল আলীম, ইরান, রিমন, আশরাফ, সাইদুল ইসলাম (ইসলাম), দিদারুল আলম মেম্বার ও হাসানসহ আরও অনেকে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার (৫ জুন) বিকেলে উপজেলার সলিমপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ সলিমপুর এলাকায় ডিসি পার্কের সামনে বন্দরগামী সড়কে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা ঝটিকা মিছিল করেন। এ সময় রাষ্ট্র ও সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক কর্মকাণ্ড, জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি এবং নাশকতার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন স্লোগান দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
সীতাকুণ্ড মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ আলমগীর বলেন, ডিসি পার্ক এলাকায় রাষ্ট্র ও সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র, জনমনে ভীতি সৃষ্টি এবং নাশকতার উদ্দেশ্যে ঝটিকা মিছিল করার অভিযোগে মামলাটি দায়ের করা হয়েছে। মামলায় ৩৭ জনের নাম উল্লেখসহ আরও ৩৫ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।
তিনি জানান, ঘটনাস্থল থেকে কার্তুজের খোসা ও বিস্ফোরিত ককটেলের অংশবিশেষ উদ্ধার করা হয়েছে। ইতোমধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
আরএইচ