নিজস্ব প্রতিবেদকনিম্নমানের চাল ভিন্ন ভিন্ন ব্র্যান্ডের নামে প্যাকেটজাত করে বাজারজাত করা এবং চালের পরিমাণ ওজনে কম দেওয়ারসহ মূল্যতালিকা ও বিক্রয়মূল্যের মধ্যে সামঞ্জস্য না রাখায় তিনটি প্রতিষ্ঠানকে ১ লাখ ১৮ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
মঙ্গলবার (৮ জুলাই) নগরের পাহাড়তলী বাজারে চালের অড়তগুলোতে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে এবং চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের সহায়তায় তদারকি অভিযান চালিয়ে এ জরিমানা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোহাম্মদ ফয়েজ উল্যাহ।
জানা যায়, নিম্নমানের চাল ভিন্ন ভিন্ন ব্র্যান্ডের নামে প্যাকেটজাত করে বাজারজাত করা এবং চালের পরিমাণ ওজনে কম দেওয়ার প্রমাণ মেলে। এসব অনিয়মের কারণে মেসার্স চৌধুরী অ্যান্ড কোং-কে ১ লাখ টাকা, সংরক্ষণের ঘাটতির কারণে মেসার্স হক রাইস এজেন্সিকে ৮ হাজার টাকা এবং ওজনে কম দেওয়ার পাশাপাশি মূল্যতালিকা ও বিক্রয়মূল্যের মধ্যে সামঞ্জস্য না রাখায় মেসার্স আদর স্টোরকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
উপপরিচালক মোহাম্মদ ফয়েজ উল্যাহ বলেন, মোট ১ লাখ ১৮ হাজার টাকা জরিমানা আদায়ের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে ভবিষ্যতে এ ধরনের অনিয়ম না করার জন্য সতর্ক করা হয়েছে। একইসঙ্গে বাজার কমিটির দায়িত্বশীলদের সঙ্গে বৈঠক করে ভবিষ্যতে ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষায় সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর জোর দেওয়া হয়। ভোক্তাদের অধিকার নিশ্চিত করতে আমাদের এ ধরনের নিয়মিত তদারকি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। অনিয়ম করলে কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।
অভিযানে আরও অংশ নেন সহকারী পরিচালক রানা দেবনাথ, সহকারী পরিচালক মো. আনিছুর রহমান এবং ক্যামেরাম্যান মো. আফতাবুজ্জামান।
এমএইচএফ