নিজস্ব প্রতিবেদক
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হওয়া গভীর নিম্নচাপের কারণে চট্টগ্রামে বৃহস্পতিবার রাতভর বৃষ্টি হয়েছে। শুক্রবার (৩০ মে) বিকেলেও বৃষ্টি অব্যাহত ছিল। তবে, এবার চট্টগ্রাম নগরীতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়নি। ফলে সাপ্তাহিক ছুটির দিনে বাড়ির বাইরে প্রয়োজনীয় কাজে বের হওয়া মানুষদের কোনো দুর্ভোগ পোহাতে হয়নি।
চট্টগ্রামের পতেঙ্গা আবহাওয়া দপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রামে শুক্রবার বিকেল পর্যন্ত প্রায় ২০০ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড হয়েছে। বৃষ্টি অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা আছে।
জানা গেছে, চট্টগ্রাম নগরীর চকবাজার, বাকলিয়া, বহদ্দারহাট, দুই নম্বর গেট, প্রবর্তক মোড়, জিইসি মোড়, মুরাদপুর, হালিশহরের বিভিন্ন এলাকা, আগ্রাবাদ সিডিএ আবাসিক এলাকাসহ কয়েকটি এলাকা জলাবদ্ধতা প্রবণ। প্রতি বর্ষায় ভারি বৃষ্টি হলে এসব এলাকা এক থেকে একাধিকবার তলিয়ে যায়।
শুক্রবার বহদ্দারহাট এলাকার বাসিন্দা শফিউল আলম বলেন, “আজ সকালে বহদ্দারহাট মোড়ে পানি দেখিনি। এখানে নালার উপর একটা মার্কেট ছিল। সেটা কয়েক মাস আগে ভেঙে ফেলা হয়েছে। খালও মোটামুটি পরিষ্কার ছিল। হয়ত সেকারণে এখনো পানি উঠেনি।”
নগরীর মুরাদপুর এলাকার বাসিন্দা মাহফুজুর রহমান বলেন, “অনেক বছর পর মুরাদপুরে পানি জমতে দেখনি। ভারী বর্ষণে কিছু সময়ের জন্য সামন্য জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হলেও ২০/৩০ মিনিটের মধ্যেই পানি নেমে যাচ্ছে।”
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ইখতিয়ার উদ্দিন জানান, “এখন পর্যন্ত আমাদের কাছে জলাবদ্ধতার কোনো খবর নেই। খাল ও নর্দমায় পানি প্রবাহ স্বাভাবিক আছে। এ কারণে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়নি। এবার পরিস্থিতি অনেক ভালো।”
এমএইচএফ