দক্ষিণ পূর্ব

চবিতে শিক্ষার্থী-স্থানীয় সংঘর্ষ, চলছে যৌথ বাহিনীর অভিযান

মনির ফয়সাল
মনির ফয়সাল
প্রকাশ : ৩১ আগস্ট ২০২৫
পঠিত :
চবিতে শিক্ষার্থী-স্থানীয় সংঘর্ষ, চলছে যৌথ বাহিনীর অভিযান
নিজস্ব প্রতিবেদক

স্থানীয়দের সঙ্গে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষের ঘটনায় আগামীকাল ১ সেপ্টেম্বর রাত ১২টা পর্যন্ত ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। এর মধ্যে ঘটনাস্থলে অভিযান পরিচালনা করছে যৌথবাহিনী।

রোববার (৩১ আগস্ট) দুপুর ২টার দিকে হাটহাজারী উপজেলার নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মুমিন ১৪৪ ধারা জারির পর বিকেল থেকে অভিযান শুরু করে আর্মি, র‍্যাব, পুলিশ। প্রতিবেদনটি লেখা পর্যন্ত ক্যাম্পাস ও আশপাশের এলাকা থেকে যৌথ বাহিনী শিক্ষার্থীদের উদ্ধারে কাজ করছে। এছাড়া গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলো টহল দিচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এসময় ক্যাম্পাসের আশপাশে যৌথবাহিনীর অন্তত ১০টি গাড়ি প্রবেশ করতে দেখা গেছে।

এর আগে দুপুর ১২টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ নম্বর গেট সংলগ্ন এলাকায় সংঘর্ষ হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ১৪৪ ধারা জারি করে প্রশাসন।

জানা যায়, দুপুর ১২টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত টানা সংঘর্ষ চললেও এসময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কোনো সদস্যকে দেখা যায়নি। বিকেল সাড়ে ৩টায় হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মুহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মুমিন সই করা বিজ্ঞপ্তিতে ১৪৪ ধারা চালু হলে এর প্রায় ৩০ মিনিট পরে ঘটনাস্থলে আসেন যৌথবাহিনীর সদস্যরা।

এর আগে হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মুহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মুমিন সই করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জননিরাপত্তা ও শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২নং গেট থেকে পূর্ব-দক্ষিণ সীমান্ত পর্যন্ত এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। ৩১ আগস্ট বিকেল ৩টা থেকে আগামী ১ সেপ্টেম্বর বিকেল ৩টা পর্যন্ত এটি কার্যকর থাকবে। এ সময়ে উন্মুক্ত স্থানে সকল প্রকার সভা-সমাবেশ, মিছিল-মিটিং, গণজমায়েত, অস্ত্র বহন ও পাঁচজনের বেশি লোকের একত্রিত হওয়া সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, ৩০ আগস্ট রাত সাড়ে ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২নম্বর গেট এলাকায় এক ছাত্রীকে হেনস্তার জেরে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। ঘটনাস্থলে উপস্থিত বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী বাংলানিউজকে জানান, রাতের ঘটনার প্রতিবাদে সকাল থেকে ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন করছে। বেলা ১২টার দিকে দুই নম্বর গেট এলাকায় ফের সংঘর্ষ শুরু হয়। এরপর ঘটনাস্থলে চবি উপ-উপাচার্য, প্রক্টর-সহ অসংখ্য শিক্ষার্থী আহত হন।  

এমএইচএফ

নিউজলেটার

সর্বশেষ খবর সরাসরি আপনার ইনবক্সে পেতে সাবস্ক্রাইব করুন।