দক্ষিণ পূর্ব

ফটিকছড়িতে হেলে পড়েছে বহুতল ভবন, দুর্ঘটনার আশঙ্কা

Masud forhan
Masud forhan
প্রকাশ : ২০ মে ২০২৫
পঠিত :
ফটিকছড়িতে হেলে পড়েছে বহুতল ভবন, দুর্ঘটনার আশঙ্কা
ফটিকছড়ি সংবাদদাতা

চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি পৌরসভার বিবিরহাটে সাততলা একটি ভবন হেলে পড়ে পাশের একটি ছয়তলা ভবনের গায়ে ঠেকেছে।উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের সামনেই বিএস ৭৮৫৫ নং দাগের উপর ভবন। ভবনটির মালিক মো. আবদুল খালেক। যিনি সাত শতক জমির উপর ভবনটি নির্মাণ করেন।

ঝুঁকিপূর্ণ ভবনটি যেকোনো মুহূর্তে ধসে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে। মালিক আবদুল খালেক ২০১৯ সালে পৌর কর্তৃপক্ষের সাথে আঁতাত করে ছয়তলা ভবনের অনুমোদন নেন কিন্তু তিনি সেখানে সাত তলা ভবন করেন। ভবনটি নির্মাণের প্রথম দিকে ৩-৪ ইঞ্চি হেলে পড়ে এবং এলাকাবাসী মৌখিকভাবে পৌর কর্তৃপক্ষকে জানালেও কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

সরেজমিনে দেখা গেছে ভবনটিতে কমপক্ষে ১৮-২০টি পরিবার বসবাস করেন। ভবনের পাশের এক বাসিন্দা বলেন, ভবনটি প্রায় ১৮-২০ ইঞ্চি ঝুঁকে পড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ ভবনটিতে অনেক লোক থাকলেও এখনও কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। যেকোনো মুহূর্তে ঘটতে পারে বড় দুর্ঘটনা। ফটিকছড়ি পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত প্রকৌশলী রাজীব বড়ুয়া মিডিয়াকে বলেন, ভবনটির ছয় তলার অনুমোদন আছে। পরে অন্যায়ভাবে তিনি সাত তলা করেছেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট কনসার্টিং প্রতিষ্ঠান থেকে ‘ঝুঁকিমুক্ত’ সনদ দিতে বলা হয়েছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।ভবনটির মালিক মো. আবদুল খালেকের সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তার মুঠোফোনে কল দিলেও বন্ধ পাওয়া যায়।

তবে ভবনটির তত্ত্বাবধান করেন স্বজন মো. নেজাম উদ্দিন বুলবুল। যোগাযোগ করা হলে নেজাম উদ্দিন কোনো কথা বলতে রাজি হননি। 

ফটিকছড়ি ফায়ার সার্ভিসের ভারপ্রাপ্ত স্টেশন কর্মকর্তা (এসও) মো.কামাল উদ্দিন মিডিয়াকে বলেন, জেনেছি ভবনটি কিঞ্চিৎ হেলে পড়েছে। যেহেতু এখনো কোনো স্ট্রাকচারাল ক্ষতি হয়নি, তাই বাসিন্দারা এখনো আছে। ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী এ বিষয়ে মিডিয়াকে বলেন, ঠিক কী কারণে ভবনটি হেলেছে, সে বিষয়ে কিছু বলা যাচ্ছে না। ভবনের বাসিন্দাদের কেউ বলছেন, আগে থেকেই খানিকটা হেলে ছিল। কেউ বলছেন,  ইদানিং এ ঘটনা ঘটেছে। আমরা বিষয়টি দ্রুত খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেব।

ইই

নিউজলেটার

সর্বশেষ খবর সরাসরি আপনার ইনবক্সে পেতে সাবস্ক্রাইব করুন।