হাটহাজারী সংবাদদাতা
কোরবানির ঈদ ঘনিয়ে এলেও চট্টগ্রামের গরুর হাটগুলোতে এখনও জমেনি বেচাকেনার পুরোদমের চিত্র। আবহাওয়ার বিরূপ পরিস্থিতি এবং সম্ভাব্য দাম কমার প্রত্যাশায় অপেক্ষারত ক্রেতাদের কারণে বাজারে একধরনের অচলাবস্থা বিরাজ করছে।
গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিতে হাটে গরু দেখা গেলেও ক্রেতা সংখ্যা তুলনামূলকভাবে অনেক কম। গরু কিনতে আসা অনেকেই মনে করছেন, ঈদের আগে আরও কয়েক দফা বৃষ্টি হলে গরুর দাম কিছুটা কমে যেতে পারে। সেই আশায় তারা এখনই গরু না কিনে অপেক্ষা করছেন। তবে বিক্রেতারা বলছেন ভিন্ন কথা। তাদের দাবি, এই বছর গরু লালন-পালনের খরচ বেড়েছে। খাদ্য, ওষুধ, পরিবহন—সবকিছুর দামই ঊর্ধ্বমুখী, তাই দাম কমার তেমন সুযোগ নেই।
চট্টগ্রামের বড় বড় হাটগুলো ঘুরে দেখা গেছে, এক লক্ষ টাকার নিচে ভালো মানের গরু পাওয়া যাচ্ছে না বললেই চলে। মাঝারি থেকে বড় আকৃতির গরুর দাম ১ লাখ ২০ হাজার থেকে শুরু করে ৩ লাখ টাকার মধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছে। তবে বেশি দামের গরুর প্রতি আগ্রহ তুলনামূলক কম। হাটে আসা এক ক্রেতা বলেন, গত বছর একই মাপের গরু এক লাখ দশ হাজারে পেয়েছি, এবার সেটার দাম বলছে এক লাখ চল্লিশ। এখনও কিনিনি, দেখি শেষ দিকে দাম কিছুটা কমে কি না। বিক্রেতাদের কেউ কেউ বলছেন, যারা গ্রাম থেকে গরু নিয়ে এসেছেন, তারা আবার ফিরে যেতে চান না। ফলে শেষ মুহূর্তে যদি হাটে গরুর সংখ্যা বেশি হয়, আর বৃষ্টি আরও কিছুদিন স্থায়ী হয়, তাহলে হয়তো কিছুটা দাম কমতে পারে।
সব মিলিয়ে এবারের কোরবানির হাটে ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়ের মধ্যেই রয়েছে এক ধরনের অনিশ্চয়তা। আবহাওয়া ও বাজার পরিস্থিতি কিভাবে এগোয়, তার উপরই নির্ভর করছে শেষ মুহূর্তের গরুর দাম।
ইই